জেনারেটরের সঠিক গ্রাউন্ডিং, নিউট্রাল আর্দিং ও ফিল্টার পরিবর্তনের নিয়ম

শিল্প-কারখানার জেনারেটরকে সুরক্ষিত রাখতে এবং বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়াতে প্রোপার গ্রাউন্ডিং বা আর্দিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সাথে ইঞ্জিনের নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্ষমতা ধরে রাখতে সময়মতো ফিল্টার পরিবর্তন করা অপরিহার্য।

জেনারেটরের সঠিক গ্রাউন্ডিং, নিউট্রাল আর্দিং ও ফিল্টার পরিবর্তনের নিয়ম


১. জেনারেটর গ্রাউন্ডিং এবং নিউট্রাল আর্দিং ডিজাইন

জেনারেটরের জন্য মূলত দুই ধরনের আর্দিং ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়: ইকুইপমেন্ট বডি আর্দিং এবং নিউট্রাল আর্দিং।

আর্দিংয়ের ধরনসংযোগের স্থানউদ্দেশ্য ও নিয়ম
বডি আর্দিং (Body Earthing)জেনারেটরের মেটাল ফ্রেমিং ও ক্যানোপির সাথে ২টি পৃথক সংযোগজেনারেটরের মেটাল অংশে কারেন্ট লিকেজ হলে তা মাটিতে প্রবাহিত করে মানুষকে শকের হাত থেকে রক্ষা করা।
নিউট্রাল আর্দিং (Neutral Earthing)অল্টারনেটরের নিউট্রাল টার্মিনালের সাথে স্বাধীনভাবে যুক্তআনব্যালেন্সড লোড সামলানো এবং ফেজ-টু-গ্রাউন্ড শর্ট সার্কিট হলে প্রটেক্টিভ রিলে ট্রিপ করানো।
  • ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্দিং পিট: নিউট্রাল আর্দিংয়ের জন্য আলাদা আর্দিং পিট (Earth Pit) থাকা বাধ্যতামুলক, যা কারখানার সাধারণ লাইট/ফ্যানের গ্রাউন্ডের সাথে মিশ্রিত করা যাবে না।

  • আর্থ রেজিস্ট্যান্স (Resistance): আর্দিং রেজিস্ট্যান্সের মান সবসময় ১ ওহমের (1 Ohm) নিচে রাখা নিশ্চিত করতে হয়।

২. অয়েল, ফুয়েল ও এয়ার ফিল্টার পরিবর্তনের নিয়ম

ইঞ্জিনের ক্ষয় রোধ ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে ফিল্টার পরিবর্তনের সময়সূচী নিচে দেওয়া হলো:

  • লুব অয়েল ও অয়েল ফিল্টার: প্রথম রান-ইন বা ওভারহলিংয়ের ৫০ ঘণ্টা পর প্রথমবার এবং পরবর্তীতে প্রতি ২৫০ থেকে ৩০০ ঘণ্টা চলার পর অয়েল ও অয়েল ফিল্টার পরিবর্তন করতে হয়।

  • ফুয়েল ফিল্টার ও ওয়াটার সেপারেটর: প্রতি ২৫০ - ৩০০ ঘণ্টা পর। ডিজেলে পানির পরিমাণ বেশি থাকলে ওয়াটার সেপারেটর ড্রেন ভালভ প্রতি সপ্তাহে পরিষ্কার করা উচিত।

  • এয়ার ফিল্টার: প্রতি ৫০০ ঘণ্টা পর পরিবর্তন করতে হয়। ধুলোবালি বেশি থাকলে নিয়মিত ব্লোয়ার দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়, তবে কোনো অবস্থাতেই পানি বা ভেজা কাপড় দিয়ে ধোয়া যাবে না।

সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বাংলাদেশ জেনারেটর

আর্দিং ভুল হলে কিংবা অসমানুভূতিক ফিল্টার ব্যবহার করলে জেনারেটরের ইনজেক্টর, ক্র্যাঙ্কশ্যাফ্ট এবং উইন্ডিং নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই মানসম্মত পার্টস এবং সঠিক আর্দিং লেআউট অনুসরণ করা জরুরি।

বাংলাদেশে শীর্ষমানের ডিজেল জেনারেটর আমদানিকারে ও সরবরাহকারী হিসেবে "বাংলাদেশ জেনারেটর" একটি বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড। আপনার কারখানার সেফটি ও লংজিভিটি নিশ্চিত করতে জেনারেটর ক্রয় করার ক্ষেত্রে যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে "বাংলাদেশ জেনারেটর"-এর সাথে অন্তত একবার হলেও সরাসরি যোগাযোগ করা বুদ্ধিমত্তার পরিচয়।
« Newer Older »