বসতবাড়ির জন্য সঠিক মডেলটি বেছে নেওয়ার সহজ উপায়

বাড়ির জন্য একটি জেনারেটর কেনা এখন অত্যন্ত দরকারি। কারণ, লোডশেডিংয়ের সময় অন্ধকারে বসে মশার কামড় খাওয়া কষ্টকর। তাই গরমে ঘেমে নেয়ে ভূতের মতো বসে থাকতে কেউ চায় না। সুতরাং, একটি ভালো মেশিন আপনার এই নিদারুণ কষ্ট দূর করবে। বরং, এটি একটি বিশ্বস্ত পাহারাদারের মতো চমৎকার কাজ করে। কারণ, বিদ্যুৎ গেলেই সে জাদুর মতো আপনার ঘরকে আলোকিত করে। তাই বাজারে গেলে 'বাংলাদেশ জেনারেটর' লিখে খোঁজ করা আজকাল সাধারণ ব্যাপার।

বসতবাড়ির জন্য সঠিক মডেলটি বেছে নেওয়ার সহজ উপায়

বিদ্যুতের সঠিক হিসাব করা

কেনার আগে নিজের বাড়ির বিদ্যুতের হিসাব করা সবচেয়ে জরুরি। কারণ, আপনার কয়টি ফ্যান বা বাতি চলবে তা জানা প্রয়োজন। তাই একটি ছোট খাতা নিয়ে সব বৈদ্যুতিক হিসাব লিখে ফেলুন। সুতরাং, আন্দাজে বড় মেশিন কিনলে পরে আপনি বড় বিপদে পড়বেন। বরং, প্রয়োজনের চেয়ে একটু বড় ক্ষমতার মেশিন কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ। যেখানে চালু হওয়ার সময় বৈদ্যুতিক জিনিসপত্র অনেক বেশি শক্তি টানে। তাই হিসাবের গরমিলে আপনার সাধের নতুন জেনারেটরটি জ্বলে যেতে পারে।

পোর্টেবল জেনারেটরের সুবিধা

বাড়ির জন্য সাধারণত পোর্টেবল জেনারেটর সবচেয়ে বেশি মানানসই হয়। কারণ, এগুলো আকারে বেশ ছোট এবং সহজেই এক জায়গা থেকে সরানো যায়। তাই ছোট ফ্ল্যাট বা বাড়ির জন্য এগুলো মানুষের বেশ প্রিয়। সুতরাং, দামের দিক থেকেও এগুলো সাধারণ মধ্যবিত্তের হাতের নাগালে থাকে। অন্যদিকে, স্ট্যান্ডবাই জেনারেটরগুলো অনেক বড় এবং দামেও বেশ চড়া হয়। কারণ, সেগুলো বড় বড় অট্টালিকা বা বিশাল কারখানার জন্য তৈরি। তাই সাধারণ ছোট পরিবারের জন্য পোর্টেবল মডেলটিই হলো সেরা পছন্দ।

সাইলেন্ট জেনারেটরের জাদুকরী দিক

শহরের বাড়িগুলোতে সাইলেন্ট জেনারেটরের চাহিদা এখন অনেক বেশি দেখা যায়। কারণ, সাধারণ মেশিনের বিকট শব্দে প্রতিবেশীরা অনেক সময় খুব বিরক্ত হন। তাই শব্দহীন মেশিন কিনলে আপনি রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন। সুতরাং, এটি ঠিক একটি নীরব সেবকের মতো আপনার কাজ করে দেবে। বরং, এর দাম একটু বেশি হলেও মনের শান্তি অনেক বেশি। কারণ, এগুলোতে বিশেষ সাউন্ডপ্রুফ বক্স বা আবরণ দেওয়া থাকে। তাই আবাসিক এলাকায় এটি ব্যবহার করা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

বাজেট এবং দামের ধারণা

আপনার বাজেটের ওপর নির্ভর করে আপনি কোন মেশিনটি ঘরে আনবেন। কারণ, বাজারে এখন দশ হাজার থেকে লাখ টাকার মডেল আছে। তাই পকেটের অবস্থা বুঝে তবেই সঠিক সিদ্ধান্তে আসা উচিত। সুতরাং, সস্তা দেখলেই নিম্নমানের অচেনা কোনো ব্র্যান্ড কেনা একদম ঠিক নয়। বরং, একটু বেশি টাকা জমিয়ে ভালো জিনিস কেনা বেশি লাভজনক। কারণ, সস্তা জিনিস বারবার নষ্ট হয়ে আপনার ভোগান্তি ও খরচ বাড়াবে। তাই দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য একটু ভালো বাজেটের প্রস্তুতি নিন।

পেট্রোল চালিত মডেলের কদর

বাড়ির জেনারেটরের জন্য পেট্রোল চালিত মডেল সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। কারণ, পেট্রোল আমাদের চারপাশে খুব সহজেই সব পাম্পে পাওয়া যায়। তাই হঠাৎ মেশিনের তেল শেষ হলে দ্রুত দোকান থেকে কিনে আনা যায়। সুতরাং, এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচও অন্যান্য মেশিনের তুলনায় বেশ কম হয়। বরং, এটি ওজনে হালকা হওয়ায় সহজে পরিষ্কার করা যায়। কারণ, ছোটখাটো পারিবারিক ব্যবহারের জন্য এটি খুব সুন্দর মানিয়ে যায়। তাই প্রথমবার কেনার ক্ষেত্রে পেট্রোল মডেলকে এগিয়ে রাখা যায়।

গ্যাস জেনারেটরের জনপ্রিয়তা

গ্যাস চালিত জেনারেটর মডেলও এখন বাজারে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ, এলপিজি গ্যাসে চালালে ধোঁয়া ও শব্দ অনেক কম হয়। তাই পরিবেশ ঠিক রাখতে গ্যাস একটি দারুণ ও আধুনিক জ্বালানি। সুতরাং, এর ইঞ্জিন পেট্রোলের চেয়ে একটু বেশি দিন ভালো থাকে। অন্যদিকে, সিলিন্ডার গ্যাস এখন সব মুদির দোকানেই খুব সহজে মেলে। কারণ, এটি ব্যবহারের পদ্ধতি আমাদের দেশের মানুষের কাছে বেশ পরিচিত। তাই আপনার এলাকার সুবিধা অনুযায়ী এই জ্বালানি বেছে নিতে পারেন।

ডিজেল জেনারেটরের সমস্যা

বাড়ির জন্য ডিজেল জেনারেটর খুব একটা বেশি সুবিধাজনক নয়। কারণ, এগুলো আকারে অনেক বড় হয় এবং খুব বেশি শব্দ করে। তাই সাধারণ আবাসিক এলাকায় এগুলো ব্যবহার করা বেশ ঝামেলার। সুতরাং, ডিজেল ইঞ্জিনের কালো ধোঁয়াও পরিবেশের জন্য একটু বেশি ক্ষতিকর। বরং, বড় বড় কারখানা বা মার্কেটে এগুলো বেশি ব্যবহার করা হয়। কারণ, একটানা অনেকক্ষণ ভারী কাজ চলার জন্য ডিজেল ইঞ্জিন সবচেয়ে সেরা। তাই বাড়ির জন্য পেট্রোল বা গ্যাস চালিত মেশিনই বেশি ভালো।

সঠিক স্থানে মেশিন বসানো

জেনারেটর সবসময় বাড়ির বাইরে বা খোলামেলা বাতাসযুক্ত জায়গায় বসানো উচিত। কারণ, এর ধোঁয়ায় মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর গ্যাস থাকে। তাই বদ্ধ ঘরে বা ছোট বারান্দায় এটি চালানো একদম নিষেধ। সুতরাং, বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে এর ওপরে একটি ছোট্ট টিনের চালা বানিয়ে দিন। বরং, মেশিনের ধোঁয়া ঠিকমতো বাইরে যাওয়ার ভালো ব্যবস্থা রাখতে হবে। কারণ, কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস একটি নীরব ঘাতকের মতো কাজ করে। তাই পরিবারের সুরক্ষার জন্য এদিকে সব সময় কড়া নজর দিন।

সঠিক তারের সংযোগ

জেনারেটরের সাথে বাড়ির কারেন্টের লাইনের সংযোগ খুব সাবধানে দিতে হবে। কারণ, ভুল সংযোগে বাড়িতে যেকোনো মুহূর্তে আগুন লেগে যাওয়ার ভয় থাকে। তাই একজন দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে এই কাজ করানো সবচেয়ে উচিত। সুতরাং, নিজে নিজে ইঞ্জিনিয়ারিং ফলাতে গেলে বড় কোনো বিপদ হতে পারে। বরং, একটি ভালো মানের চেঞ্জওভার সুইচ ব্যবহার করা খুব জরুরি। কারণ, এটি মেইন বিদ্যুতের লাইন এবং জেনারেটরের লাইনকে আলাদা রাখে। তাই নিরাপদ তারের সংযোগ নিশ্চিত করা আপনার প্রধান একটি দায়িত্ব।

সেরা ব্র্যান্ড নির্বাচন

বাংলাদেশ জেনারেটর বাজারে নামিদামি কিছু ব্র্যান্ডের বেশ ভালো সুনাম আছে। কারণ, তাদের মেশিনের স্থায়িত্ব নিয়ে মানুষের মনে কারো কোনো সন্দেহ নেই। তাই বাজেট ভালো থাকলে এগুলো একদম চোখ বন্ধ করে কেনা যায়। সুতরাং, কম বাজেটের জন্য বাজারে অনেক ভালো চাইনিজ ব্র্যান্ডও আছে। বরং, আজকাল চাইনিজ মেশিনগুলোও বেশ ভালো এবং দীর্ঘস্থায়ী সার্ভিস দিচ্ছে। কারণ, তাদের কারিগরি প্রযুক্তি এখন আগের চেয়ে অনেক উন্নত ও আধুনিক হয়েছে। তাই ওয়ারেন্টি দেখে আপনার পছন্দের ব্র্যান্ডটি আনন্দের সাথে কিনে ফেলুন।

নিয়মিত যত্ন ও মেইনটেন্যান্স

মানুষের মতো জেনারেটরেরও নিয়মিত যত্ন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা খুব দরকার। কারণ, ধুলাবালি জমে মেশিনের ভেতরের পার্টস খুব দ্রুত নষ্ট হতে পারে। তাই প্রতি মাসে অন্তত একবার এর ইঞ্জিনের মবিল চেক করুন। সুতরাং, ফিল্টারগুলো ময়লায় জ্যাম হয়ে গেলে সাথে সাথে বদলে ফেলুন। বরং, অবহেলা করে ফেলে রাখলে বিপদের সময় এটি আর স্টার্ট নেবে না। কারণ, যন্ত্রপাতির নিয়মিত ব্যবহার না হলে তাতে খুব সহজে জং ধরে যায়। তাই শীতকালেও মাঝে মাঝে এটি চালু করে দেখা উচিত।

অতিরিক্ত লোড এড়িয়ে চলা

কখনোই জেনারেটরের ওপর তার ক্ষমতার চেয়ে বেশি লোড দেবেন না। কারণ, বেশি লোড দিলে এর ইঞ্জিন খুব দ্রুত গরম হয়ে ওঠে। তাই মেশিনের আয়ু অনেক কমে যায় এবং ভেতরের কয়েল জ্বলে যায়। সুতরাং, এসি বা ইস্ত্রির মতো ভারী যন্ত্র চালানোর সময় সতর্ক থাকুন। বরং, শুধু দরকারি ফ্যান ও বাতি চালিয়ে রাখা সবচেয়ে ভালো। কারণ, এটি কোনো বিশাল পাওয়ার প্ল্যান্ট নয়, এটি একটি ছোট মেশিন। তাই একটু বুঝেশুনে ব্যবহার করলে এটি আপনাকে অনেকদিন ভালো সার্ভিস দেবে।

সোলার জেনারেটরের ভবিষ্যৎ

ভবিষ্যতের কথা ভেবে অনেকেই এখন আধুনিক সোলার জেনারেটর কিনছেন। কারণ, এগুলোতে কোনো তেল বা গ্যাস পোড়ানোর কোনো ঝামেলা নেই। তাই পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না এবং তিল পরিমাণ শব্দও হয় না। সুতরাং, এটি সূর্যের আলো থেকে সরাসরি শক্তি নিয়ে ব্যাটারি চার্জ করে। অন্যদিকে, এককালীন খরচ বেশি হলেও পরে আর কোনো তেলের খরচ নেই। কারণ, বাংলাদেশের মতো রৌদ্রোজ্জ্বল দেশে এটি চমৎকার দারুণ কাজ করে। তাই পরিবেশ বাঁচাতে এই আধুনিক প্রযুক্তির দিকে আমাদের ঝোঁকা উচিত।

স্টার্ট করার সঠিক নিয়ম

সঠিক নিয়মে জেনারেটর মেশিন চালু করা একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কারণ, ভুল নিয়মে স্টার্ট দিলে ইঞ্জিনের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যায়। তাই প্রথমে মেইন সুইচ বন্ধ করে বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন। সুতরাং, মেশিনের তেল ও মবিল ঠিক আছে কিনা তা ভালো করে দেখে নিন। বরং, সব ঠিক থাকলে তবেই সাবধানে চাবি ঘুরিয়ে স্টার্ট দিন। কারণ, লোড থাকা অবস্থায় স্টার্ট দিলে মেশিনের কয়েল পুড়ে যেতে পারে। তাই মেশিন স্বাভাবিক গতিতে আসার পর বাড়ির লাইন চালু করুন।

শিশুদের দূরে রাখা

জেনারেটরের কাছে ছোট বাচ্চাদের একদমই কখনো যেতে দেওয়া উচিত নয়। কারণ, চলন্ত অবস্থায় মেশিনের সাইলেন্সার পাইপ আগুনের মতো অনেক গরম থাকে। তাই হাত দিলে বাচ্চাদের নরম ত্বক খুব দ্রুত পুড়ে যেতে পারে। সুতরাং, মেশিনের চারপাশে একটি শক্ত বেড়া বা লোহার খাঁচা বানিয়ে দিন। বরং, একটু সতর্ক থাকলে অনেক বড় দুর্ঘটনা থেকে অনায়াসে বাঁচা সম্ভব। কারণ, শিশুদের কৌতূহল বেশি থাকায় তারা যেকোনো কিছু খালি হাতে ধরতে চায়। তাই তাদের নিরাপত্তার কথা সবার আগে সব সময় মাথায় রাখতে হবে।

ব্যাটারি রক্ষণাবেক্ষণ

স্বয়ংক্রিয় জেনারেটরের ব্যাটারি ভালো রাখা অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ। কারণ, ব্যাটারি দুর্বল হলে মেশিন ঠিকমতো স্টার্ট নিতে পারে না। তাই নিয়মিত ব্যাটারির ভেতরের পানির স্তর পরীক্ষা করে দেখা উচিত। সুতরাং, পানি কমে গেলে তাতে ভালো মানের ডিস্টিলড ওয়াটার ঢেলে দিন। বরং, ব্যাটারির টার্মিনালে যেন জং না ধরে সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন। কারণ, জং ধরলে বিদ্যুৎ প্রবাহে অনেক বড় একটি বাধা তৈরি হয়। তাই টার্মিনাল পরিষ্কার করে তাতে একটু ভালো গ্রিজ লাগিয়ে রাখুন।

বৃষ্টির দিনে বিশেষ যত্ন

বর্ষাকালে জেনারেটরের একটু বেশি যত্ন ও কড়া নজরদারি প্রয়োজন। কারণ, বৃষ্টির পানি মেশিনে ঢুকলে খুব সহজে শর্ট সার্কিট হতে পারে। তাই একে সবসময় শুকনা ও একটু উঁচু জায়গায় রাখা উচিত। সুতরাং, বৃষ্টির সময় এটি মোটা পলিথিন দিয়ে ভালোভাবে ঢেকে রাখবেন। বরং, পানি লেগে এর লোহার বডিতে খুব দ্রুত কালচে মরিচা ধরে যায়। কারণ, মরিচা ধরলে মেশিনের স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্য অনেক কমে যায়। তাই বর্ষায় একে সুরক্ষিত রাখতে একটি ভালো ও মজবুত শেড তৈরি করুন।

ওয়ারেন্টি এবং বিক্রয়োত্তর সেবা

কেনার সময় মেশিনের ওয়ারেন্টি পেপার ভালো করে পড়ে নেওয়া উচিত। কারণ, নতুন মেশিনেও অনেক সময় কারিগরি ত্রুটি বা সমস্যা থাকতে পারে। তাই ভালো বিক্রয়োত্তর সেবা দেয় এমন বিশ্বস্ত দোকান থেকে কিনবেন। সুতরাং, নষ্ট হলে তারা যেন দ্রুত এসে এটি যত্ন নিয়ে সারিয়ে দেয়। অন্যদিকে, ওয়ারেন্টি ছাড়া কিনলে পরে আপনার মেরামতের খরচ অনেক বাড়বে। কারণ, এর পার্টসগুলোর দাম সাধারণ বাজারে বেশ চড়া হয়ে থাকে। তাই এই বিষয়ে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া একদম ঠিক হবে না।

উপসংহার

পরিশেষে বলা যায়, বাড়ির জন্য জেনারেটর কেনা একটি চমৎকার বিনিয়োগ। কারণ, এটি আপনার পরিবারকে লোডশেডিংয়ের নিদারুণ কষ্ট থেকে মুক্তি দেবে। তাই সব দিক ভালোভাবে বিবেচনা করে তবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিন। সুতরাং, নিজের প্রয়োজন ও বাজেট মিলিয়ে সবচেয়ে সেরাটি বেছে নিন। বরং, একটু বেশি সময় নিয়ে কয়েকটা দোকান ঘুরে দেখা ভালো। কারণ, যাচাই-বাছাই করে জিনিস কিনলে ঠকার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। তাই আপনার শান্তির ঘরটি সবসময় আলোয় ভরে থাকুক, এই কামনাই করি।

Older »